Templates by BIGtheme NET
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
মডেল: আমির পারভেজ ও জাকিয়া ইমি

জীবনসঙ্গী হিসাবে বিদেশি পাত্র, কেমন হয়!

লাইফস্টাইল ডেস্ক
আমরা জীবন চলার পথে অনেক ধরনের মানুষের সঙ্গে পরিচিত হই। এদের মধ্য থেকেই আমরা বেছে নেই জীবনসঙ্গী। সঠিক সঙ্গী নির্বাচনে কোনোভাবে ভুল হলে তার মাশুল দিতে হয় জীবনভর। তাই সঙ্গী নির্বাচনে হতে হবে কিছুটা সতর্ক।

প্রেম করতে ভালোবাসার মানুষ খুঁজুন কিংবা বিয়ের জন্য জীবনসঙ্গী যাই খুঁজে থাকুন না কেন অনেকেরই খোঁজার মধ্যেই রয়েছে অনেক বড় ভুল। সে বিষয়ে সতর্ক থাকাটা আগে প্রয়োজন।

অনেকেই আছেন যারা জীবনসঙ্গী হিসাবে বিদেশি পাত্র পছন্দ করেন। শুধু পাত্রী নয়, বরং অনেক অভিভাবকের কাছেও দেশের বাইরে বসবাসরত পাত্রের মূল্য অনেক বেশি। তারা ভাবেন, বিদেশি পাত্রের সঙ্গে বিয়ে হলে মেয়ে বেশ সুখেশান্তিতে থাকবে। অনেক মেয়েও আবার এই একই চিন্তা করেন।

এক্ষেত্রে কারও কারও ক্ষেত্রে হয়ত স্বপ্ন সত্যি হয়ে ওঠে। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রেই তা হয় না। প্রতারিত হয়ে তাদের জীবনটাই নষ্ট হয়ে যায়। তাই বিদেশি পাত্রের সঙ্গে বিয়ের চিন্তা ভাবনা করলে মাথায় রাখুন কিছু বিষয়। সকল দিক ভেবে চিন্তে বিয়ের সিদ্ধান্তে এগোলে দেখবেন জীবনটা অনেক সুন্দর হয়ে গেছে। নতুবা বিপদের আশংকা।

পাত্র সম্পর্কে খোঁজখবর নিন
পাত্রের অতীত এবং বর্তমানের সকল বিষয় সম্পর্কে ভালোভাবে জানুন। শুধু পাত্র নয়, তার পরিবার এবং আত্মীয়স্বজনদের ব্যাপারেও খোঁজ খবর করুন। সবকিছু সঠিক মনে হলে এবং সব ধরণের তথ্য বিবেচনা করে তবেই বিয়েতে মত দিন।

যোগাযোগের বিষয়টি মাথায় রাখুন
দেশের বাইরে থাকা একজন পাত্রের সঙ্গে বিয়ে হয়ে গেলে কিংবা বিয়ে ঠিক হওয়ার পরে প্রতিদিন যোগাযোগ রাখার ব্যাপারটিকে অনেক বেশি গুরুত্ব দেবেন। প্রথমেই ঠিক করে নিন দুজনের জন্য উপযোগী সময় যখন একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।

জীবনযাপনের ধরণ বোঝার চেষ্টা করুন
দেশের বাইরে থাকায় পাত্রের সঙ্গে আপনার জীবনযাপনে বড় পার্থক্য রয়েছে। তাই বিয়ের আগে তার সেই লাইফস্টাইল সম্পর্কে যতটা সম্ভব জানার চেষ্টা করুন এবং বুঝে নিন। এতে আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি আরও সহজ হয়ে যাবে।

নিজেকে অন্য দেশের জন্য তৈরি করুন
আপনি যদি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন তাহলে পাত্র যে দেশে আছেন সে দেশের সব কিছুর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য নিজেকে তৈরি করতে থাকুন। জানতে থাকুন সে দেশের নানা বিষয় সম্পর্কে। এতে করে পরবর্তীতে সমস্যায় পরতে হবে না।

নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবুন
বিদেশে শুধুমাত্র স্বামীর উপার্জনে সংসার চালানোর চিন্তা একেবারে দূর করে দিন। আর যদি সত্যিই আপনি কিছু না করেন তাহলে জীবন অনেক বেশি বোরিং হয়ে যাবে। তাই শুরুতেই সে দেশে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলার বিষয়টি ভেবে দেখুন এবং সম্ভাব্য দিকগুলোতে নজর দিন।

ভিসা প্রসেসিং-এর কাজে দেরি নয়
অনেক সময় দেখা যায় বিয়ে হয়ে যাওয়ার অনেক পর পর্যন্ত শুধুমাত্র ভিসা না পাওয়ার কারণে স্বামী-স্ত্রীকে দুই দেশে আলাদা থাকতে হয়। তাই বিয়ে ঠিক হওয়ার পর আর দেরি নয়। ভিসা প্রসেসিংএর কাজে লেগে যাবেন দ্রুত।

ধৈর্য রাখুন
দেশের বাইরের একজন মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক, তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখা, ভিসার কাজ এবং তার পরের নানা কাজগুলো সবই অনেক ধৈর্যের ব্যাপার। তাই মাথায় রাখুন যে আপনাকে অধৈর্য হলে চলবে না।

আর একজন যোগ্য জীবন সঙ্গী হতে হলে, স্রেফ খুব ভালো স্বামী হতে হবে বা ভালো স্বামীর গুণাবলী থাকলেই হবে এমনটি না। জীবনসঙ্গী মানে জীবনের সব অবস্থায় সে সঙ্গী। জীবনসঙ্গী কি স্রেফ একজন স্বামী!