Templates by BIGtheme NET
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

আরো সময় চায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মালিকরা

নিউজ ডেস্ক: ইউজিসির আইন মানার প্রশ্নে এখন ৩৯টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিকে থাকাই প্রশ্নবিদ্ধ। স্থায়ি ক্যাম্পাস ইস্যুতে আরো সময় ও ঋণ চায় তারা। প্রয়োজনে আনের সংশোধনি করতেও বলছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকদের সংগঠন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি।

এবছরের ৩১ জানুয়ারি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার শেষ সময় ছিল। ইউজিসির আইন অমান্য করে এখনো অস্থায়ি ক্যাম্পাসে ক্লাস পরীক্ষা পরিচালনা করার অভিযোগ রয়েছে ৩৯টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে। তবে ১২টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাসে কার্যক্রম পরিচালনার শর্তপূরণ করেছে।

মঙ্গলবার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমিতির চেয়ারম্যান শেখ কবির হোসেন স্থায়ী ক্যাম্পাস ইস্যুতে সময় চেয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আবেদন জমা দিয়েছেন। এর আগে কয়েক দফায় শিক্ষামন্ত্রীর সাক্ষাত চাইলেও মন্ত্রী সাক্ষাত দেননি।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও পিএইচডি ডিগ্রি প্রদানের সুযোগ চান তারা।

আবেদনে বলা হয়, স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার জন্য অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এরই মধ্যে জমি কিনেছে। এর মধ্যে অনেকগুলো রাজউক থেকে নকশাও অনুমোদন নিয়েছে। কিন্তু সরকারি বিভিন্ন সংস্থার সিদ্ধান্ত গ্রহণে দীর্ঘসূত্রতা এবং বিধিমালার বিভিন্ন শর্তের কারণে পরিকল্পনা অনুযায়ী ভবন নির্মাণ করতে পারছে না।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি বলছে, ‘স্থায়ী ক্যাম্পাস তৈরি করতে যে খরচ তার জন্য ঋণের বিকল্প নেই। কারণ উচ্চ মূল্যে জমি কেনার পর রাতারাতি ভবন ক্যাম্পাস নির্মাণ করার জন্য যে অর্থ প্রয়োজন সে অর্থ তাদের নেই। অন্যদিকে জমি বন্ধক রেখে ব্যাংক ঋণ নিতেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।এ কারণে ঋণ গ্রহণের সুবিধার জন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১০-এর সংশ্লিষ্ট ধারারও সংশোধন করা প্রয়োজন বলে মনে করে তারা।

চলমান সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনে শিক্ষামন্ত্রী ও ইউজিসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগও চেয়েছেন সমিতির নেতারা।