Templates by BIGtheme NET
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

শিগগিরই ফেরত আসছে রিজার্ভ চুরির টাকা

নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি হওয়া অর্থের কিছু অংশ শিগগিরই বাংলাদেশ ফেরত পাবে এমনটাই প্রত্যাশা করছে সংসদীয় কমিটি। তবে সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত পেতে কয়েক ধাপ আইনি প্রক্রিয়া পেরুতে হবে বাংলাদেশ ব্যাংককে।

মঙ্গলবার সংসদ ভবনে শওকত আলীর সভাপতিত্বে সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ প্রত্যাশা করা হয়।

খোয়া যাওয়া অর্থ ফেরত পাওয়ার জন্য ফিলিপাইনের ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে বলে সংসদীয় কমিটিতে জানানো হয়েছে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কমিটি সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের একটি রেমিট্যান্স কোম্পানি, তিনটি ক্যাসিনো এবং এর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। ফিলিপাইনের অ্যান্টিমানি লন্ডারিং সিকিউরিটি ইউনিটই বাংলাদেশ ব্যাংককে এ তথ্য দিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি হওয়া টাকার ১৫.২৫ মিলিয়ন ডলার ফিলিপিন বংশোদ্ভূত চীনা ব্যবসায়ী কিম অংয়ের কাছে রক্ষিত ছিল। এ টাকা দেওয়ার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

ফিলিপাইনের অ্যান্টিমানি লন্ডারিং সিকিউরিটি সে দেশের আরসিবিসি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় তাদের ২১ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছে। এতে বাংলাদেশের পক্ষে আরও একধাপ এগিয়ে আসছে বলে মনে করে সংসদীয় কমিটি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিজার্ভ থেকে খোয়া যায় ৭০টি চেক হ্যাকাররা জালিয়াতির মাধ্যমে লুটে নেয়। এর মধ্যে ৫টি চেক তারা ভাঙাতে পেরেছিল। খোয়া যাওয়া এ ৫ চেকের মধ্যে দুই চেকের টাকা শিগগিরই পাওয়া যাচ্ছে।

আগামীতে যেন আর কোনো হ্যাকার চেক জালিয়াতি করতে না পারে সেজন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে তৎপর থাকতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে জঙ্গি তৎপরতার বিষয়ে সর্তক থাকার জন্য বলা হয়েছে।

বৈঠকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠন বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরসহ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।